ঢাকার বাইরে প্রথম যশোরে পার্সোনালাইজেশন সেলের মাধ্যমে ই-পাসপোর্ট প্রিন্টিং কার্যক্রম শুরু হয়েছে। রোববার দুপুরে যশোর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে ফিতা কেটে এই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আইয়ূব চৌধুরী।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আইয়ূব চৌধুরী বলেন, ‘পাসপোর্ট অধিদপ্তর আগের সেই বদনাম নিতে রাজি নয়। দেশ উন্নয়ন হচ্ছে, আমদেরও উন্নয়ন হচ্ছে। সেই সঙ্গে মানুষের পাসপোর্টের চাহিদাও বাড়ছে। যার ফলে আমাদের সক্ষমতাও বাড়াতে একটু সময় লাগবে। আমরা উন্নয়নের অংশীদার হতে চায়। এখন থেকে পাসপোর্ট অধিদপ্তর কারও বদনামের ভাগ নেবে না। এই অধিদপ্তরের যেই হোক না কেন, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
তিনি বলেন, ‘আজ এই কার্যক্রম উদ্বোধনের ফলে এখন থেকে যশোর থেকে খুলনা বিভাগের দশ জেলার ই-পাসপোর্ট স্বল্পতম সময়ে গ্রাহকদের কাছে পৌছে দেওয়া সম্ভব হবে। এ ছাড়া এটি ঢাকার পার্সোনালাইজেশন সেন্টারের ব্যাকআপ হিসাবেও কাজ করবে। ওভারটাইম ছাড়াই স্বাভাবকিভাকে এখানে দিনে তিন হাজার পাসপোর্ট প্রিন্টের সক্ষমতা রয়েছে। তবে এই দশটা অঞ্চলের চাহিদা রয়েছে এক হাজারের থেকে কিছু বেশি।’
ই-পাসপোর্ট ও স্বয়ংক্রিয় বর্ডার নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাইদুর রহমান খানের সভাপতিত্তে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, যশোরের জেলা প্রশাসক তমিজুল ইসলাম খান, পুলিশ সুপার প্রলয় জোয়াদ্দার, প্রেসক্লাব যশোরের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন।
অনুষ্ঠান থেকে পাঁচ জন গ্রাহকের হাতে ই-পাসপোর্ট তুলে দেন অতিথিরা। আর দ্রুতসময়ে পাসপোর্ট হাতে পেয়ে খুশি পাসপোর্ট গ্রহীতারা।


No comments:
Post a Comment