কেশবপুরে ৪১ মুক্তিযোদ্ধার বিরুদ্ধে জালিয়াতির অভিযোগ - যশোরের কাগজ

Breaking

JESSORE WEATHER

Post Top Ad

Post Top Ad

Sunday, 3 October 2021

কেশবপুরে ৪১ মুক্তিযোদ্ধার বিরুদ্ধে জালিয়াতির অভিযোগ

কেশবপুর উপজেলায় বেসামরিক গেজেটকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের যাচাই-বাছাইয়ে বাদ যাওয়া ৪১ জন অমুক্তিযোদ্ধা তাদের আপিল ফরমে সাক্ষীদের স্বাক্ষর জালিয়াতি করে জমা দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। শনিবার দুপুরে প্রেসক্লাব যশোরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন কেশবপুর উপজেলার সাবেক কমান্ডার বীরমুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী। 
তিনি বলেন, চলতি বছরের ৩০ জানুয়ারি জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের ৭১তম সভায় কেশবপুরে বেসামরিক গেজেটভুক্ত মুক্তিযোদ্ধাদের যাচাই-বাছাই অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ১২ জন উপস্থিত থাকেন। উপস্থিত চারজনসহ তালিকাভুক্ত ৪৯ জনের মধ্যে যাচাই-বাছাইয়ে ৪১ জন অমুক্তিযোদ্ধা বলে প্রমাণিত হয়। এতে রেজাকাটি গ্রামের  রশিদুল হক, মাদারডাঙ্গার পরিতোষ দত্ত, মাগুরাডাঙ্গার অলিয়ার রহমান ফকির, আড়ুয়ার শৈলেন্দ্র নাথ রায়, হদের জহির উদ্দিন, কেশবপুরের নূরুল ইসলাম, সাবদিয়ার জনাব আলী সরদার ও বেতীখোলার চন্টা শেখ বাদে অন্য ৪১ জন নামঞ্জুর তালিকায় পড়েন। তবে,জাতীয় মুুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের আপিল আবেদনে এসব নামঞ্জুরকৃত মুক্তিযোদ্ধা তাদের আপিল ফোরামে উপস্থাপিত সাক্ষীদের স্বাক্ষর জালিয়াতি করে জমা দেন বলে দাবি করেন সাবেক কমান্ডার মোহাম্মদ আলী। এই ৪১ অমুক্তিযোদ্ধার জালিয়াতি তদন্ত করে তাদের শাস্তির ব্যবস্থা ও কেশবপুরে প্রকৃত বীরমুক্তিযোদ্ধার তালিকা প্রণয়ন করতে মন্ত্রী, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের মহাপরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেন মোহাম্মদ আলী। সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বীরমুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান, আব্দুস সাত্তার, সাহাবুদ্দীন সর্দার, নেমাই দেবনাথ প্রমুখ। 

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad