যশোরে গ্রাহকদের ৩৮ লাখ ৬৫ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে এহসান সংস্থার চেয়ারম্যান মুফতি তাহের নদভীসহ ২৩ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আদালতে আরও ছয়টি মামলা হয়েছে। রোববার পাঁচজন গ্রাহক এ ছয়টি মামলা করেন। অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মারুফ আহমেদ অভিযোগগুলো আমলে নিয়ে আসামিদের প্রতি সমন ইস্যুর আদেশ দিয়েছেন।মামলার বাদীরা হলেন, এহসানের গ্রাহক যশোর সদর উপজেলার ভাতুড়িয়া গ্রামের সাদেক আলীর স্ত্রী মনজিলা বেগম, বালিয়া ভেকুটিয়া গ্রামের তাইজুল ইসলামের ছেলে মকছেদ আলী, চাঁচড়ার আব্দুল গফুর মোল্লার ছেলে মাসুদুর রহমান, শহরের শংকরপুর আশ্রম রোডের মৃত সেখ আমিন উল্লাহর ছেলে সেখ রহমত উল্লাহ ও তার স্ত্রী আফরোজা বানু। আফরোজা বানু নামে এক নারী দু’টি মামলা করেছেন।
মাসুদুর রহমান সাড়ে ছয় লাখ টাকা, মনজিলা বেগম আট লাখ ৮০ হাজার টাকা, মকছেদ আলী ছয় লাখ ২শ’, শেখ রহমত উল্লাহ পাঁচ লাখ ৩০ হাজার এবং আফরোজা বানু একটি মামলায় নয় লাখ ৬৫ হাজার টাকা ও আরেকটি মামলায় দু’লাখ ৪০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করা হয়। মামলার বাদীরা আসামিদের বিরুদ্ধে লগ্নিকৃত অর্থের দ্বিগুণ ফেরত দেয়ার মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনেছেন। ২০১২ সাল থেকে ২০১৪ সালের বিভিন্ন সময় যশোরে এহসান রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট লিমিটেড অফিসে লগ্নিকারীদের কাছ থেকে অর্থ গ্রহণ করা হয় বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।
মামলার আসামিরা হলেন, চেয়ারম্যান চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার নিশ্চিন্তপুর গ্রামের মুফতি আবু তাহের নদভী, প্রধান নির্বাহী ব্যবস্থাপক মাগুরা সদর উপজেলার সাজিয়ারা গ্রামের কাজী রবিউল ইসলাম, ব্যবস্থাপক মাগুরা সদর উপজেলার শিমুলিয়া গ্রামের জুনায়েদ আলী, পরিচালক মাগুরা সদর উপজেলার রাউতলা গ্রামের আজিজুর রহমান, পরিচালক কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার লক্ষীধরদিয়াড় গ্রামের মঈন উদ্দিন, পরিচালক খুলনার লবণচরা হরিণটানা রিয়াবাজার এলাকার মুফতি গোলাম রহমান,পরিচালক গাজীপুরের টঙ্গী উপজেলার চড়মাটিন এলাকার আব্দুল মতিন, মহাপরিচালক (প্রশাসন) সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার খুবদিপুর এলাকার আমিনুল হক,চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার লিচুবাগান জামালকান রোডের কলিমুল্লাহ কলি,পরিচালক খুলনার খানজাহান আলীর শিরোমনি এলাকার মিজানুর রহমান, পরিচালক যশোর সদর উপজেলার রামনগর গ্রামের মুফতি ইউনুস আহম্মেদ, পরিচালক খুলনার পাইকগাছা উপজেলার সরল এলাকার মনিরুল ইসলাম, পরিচালক মাগুরা সদর উপজেলার শিমুলিয়া গ্রামের আইয়ুব আলী,পরিচালক যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার ধান্যপাড়া গ্রামের সামসুজ্জামান টিটু, ব্যবস্থাপক (যশোর শাখা) মাগুরা সদর উপজেলার শিমুলিয়া গ্রামের আতাউল্লাহ, মাঠকর্মী যশোর শহরের কারবালা রোডের সিরাজুল ইসলাম (সোনামিয়া) অন্যতম।


No comments:
Post a Comment