যশোরে তাঁতীলীগ নেতা আব্দুর রহমান কাঁকন হত্যা মামলায় এক আসামিকে আটক করেছে সিআইডি পুলিশের একটি বিশেষ টিম। মোবাইল ট্রাকিং করে তাকে নারায়নগঞ্জ থেকে আটক করা হয়েছে। এ বিষয়ে আসামি আটকের কথা স্বিকার করলেও নাম প্রকাশ করেনি সিআইডি পুলিশ। তবে, জিতুর পিতার দাবি তার ছেলেকে নারায়নগঞ্জ থেকে আটক করা হয়েছে।এ বিষয়ে যশোরের সিআইডির পুলিশ সুপার জাকির হোসেন বৃহস্পতিবার রাত আটটা ৪০ মিনিটে মোবাইল ফোনে বলেন, সিআইডির হেড কোয়ার্টার থেকে বিশেষ একটি টিম এ ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে নারায়নগঞ্জে অভিযান চালায়। মোবাইল ট্রাকিং করে একজনকে আটক করে। এখন তাকে যশোরে আনা হচ্ছে। যশোরে আনার পর নাম ঠিকানা জানা যাবে।
এ দিকে, কাঁকন হত্যার পর থেকেই এলাকায় গুঞ্জন উঠে ওই এলাকার জিতু হত্যার সাথে জড়িত। কাঁকন খুন হওয়ার পর তিনি এলাকাছাড়া হন। সেখান থেকে পুলিশ জিতুকে আটক করেছে বলে স্বজনদের দাবি।
এ বিষয়ে জিতু পিতা সিরাজুল ইসলাম জানিয়েছেন, তার ছেলেকে নারায়ণগঞ্জ থেকে পুলিশ ধরে এনেছে। কিন্তু কোথায় তাকে নেয়া হয়েছে তা জানতে পারেননি।
জিতুর নামে কোতোয়ালি থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।
গত ১৭ নভেম্বর রাত সাড়ে ১০টার দিকে শহরের বারান্দী মোল্লাপাড়া কবরস্থান মোড়ের একটি চায়ের দোকানের সামনে সন্ত্রাসীরা এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাতে খুন করে কাকনকে। এই ঘটনায় নিহতের মা সুফিয়া বেগম অজ্ঞাত আসামি করে কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন। মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব পান সদর ফাঁড়ির এসআই আব্দুর রহমান। ঘটনার ছয়দিনের মাথায় মামলার দায়িত্ব পান যশোরের সিআইডি পুলিশ। দায়িত্ব নেয়ার একদিন পরই সন্হেজনক এক আসামিকে আটক করে।

No comments:
Post a Comment