ভয়ংকর গ্রীলকাটা চোর সিন্ডিকেটের ০৫ সদস্যকে গ্রেফতার করলো ডিবি পুলিশ, চোরাই মোবাইল দেড় ভরি স্বর্ণালংকার উদ্ধার।
২৮/০৮/২০২১ তারিখ দিবাগত গভীর রাতে কোতয়ালী থানাধীন খড়কী বামনপাড়া (কারবালা) এলাকার রেজাউল করিম, পিতা-মৃত কালাচাঁদ মিয়া এর ২য় তলা বসতবাড়ীর জানালার গ্রীল কেটে অজ্ঞাতনামা চোর/চোরেরা গৃহে সঙ্গোপনে প্রবেশ করে আলমারী ভেঙ্গে ৬ ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা ও ২টি স্যামসাং মোবাইল ফোন সর্বমোট =৪,৬৩,৫০০/- টাকার মালামাল চুরি করে নিয়ে যায়। এই সংক্রান্তে রেজাউল করিম বাদী হয়ে কোতয়ালী মডেল থানয় মামলা করে।
মামলাটি চাঞ্চল্যকর হওয়ায় জেলার পুলিশ সুপার জনাব প্রলয় কুমার জোয়ারদার ইং ২১/১০/২০২১ তারিখে জেলা গোয়েন্দা শাখাকে তদন্তভার ন্যাস্ত করেন। যশোর “ক” সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এর তত্ত্বাবধানে ওসি ডিবি জনাব রুপন কুমার সরকারের দিক-নির্দেশনায় পুলিশ পরিদর্শক শাহীনুর রহমান এর নেতৃত্বে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মফিজুল ইসলাম সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সসহ ইং ২২/১০/২০২১ তারিখ রাত ২০:৩০ ঘটিকার হইতে ইং ২৩/১০/২০২১ তারিখ ভোর ০৬:০০ ঘটিকা পর্যন্ত শহরের পুলেরহাট, ভাতুড়িয়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে চক্রের ০৫ সদস্যকে গ্রেফতার করেন। তাদের হেফাজত হইতে চুরি যাওয়া ২টি মোবাইল ফোন, ১টি স্বর্ণের চেইনসহ চোরাই সন্ধিগ্ধ মোট দেড় ভরি স্বর্ণালংকার, ঘর ভাঙ্গার সরঞ্জাম জব্দ করতে সক্ষম হয়। গ্রেফতারকৃত আসামীদের মধ্যে প্রধান আসামী শাকিল হোসেনসহ ০৩ জন বিজ্ঞ আদালতে স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি প্রদান করেন।
জানা যায়, তারা একটি সংঘবদ্ধ গ্রীলকাটা চোর চক্রের সদস্য। তারা যশোর শহর ও শহরতলী এবং আশপাশ থানা এলাকায় রাতের অন্ধকারে ঘরের জানালা/দরজা ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ করে স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা ও মূল্যবান সম্পদ চুরি করে থাকে বলে একাধিক তথ্য প্রমান পাওয়া যাইতেছে। ধৃত শাকিল ও জনির বিরুদ্ধে একাধিক চুরি মামলা রয়েছে।

No comments:
Post a Comment