যশোর পৌরসভায় পয়ঃবর্জ্য আধুনিকীকরণে ‘সবুজ সেবা’ প্রকল্প জনপ্রিয় করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সবুজ সেবা প্রকল্পের মাধ্যমে আধুনিক পদ্ধতিতে পরিষ্কার করা হচ্ছে শহরের সব সেপটিক ট্যাংক। এতে করে পরিবেশ এবং বায়ু দুষণ বন্ধ হচ্ছে। কমে যাচ্ছে নাগরিকের স্বাস্থ্যঝুঁকি।পৌরসভার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, আগে সেপটিক ট্যাংক ও পিট পরিষ্কার করতো সুইপাররা। তারা পয়ঃবর্জ্য নিষ্কাশন করে আশপাশের ড্রেনে ফেলতো। এ কারণে নাগরিকের স্বাস্থ্য চরম ঝুঁকিতে পড়তো। দূষিত হতো বায়ু ও পরিবেশ। পাশাপাশি পরিষ্কার করাতে তুলনামূলক বেশি খরচ হতো নাগরিকদের। এই অবস্থা থেকে উত্তরণ করতে আনুমানিক ছয় বছর আগে তৎকালীন মেয়র মারুফুল ইসলামের পরিষদ পয়ঃনিষ্কাশনের আধুনিক পদ্ধতি চালু করে। ভেকুট্যাগ পদ্ধতি ব্যবহার করে সেপটিক ট্যাংক পরিষ্কার শুরু হয়।
এই পদ্ধতিতে পয়ঃবর্জ্য নিষ্কাশন করাতে নাগরিকদের অর্থ সাশ্রয়ী হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা। এই প্রকল্পের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উপসহকারী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) কামাল হোসেন জানান, ভেকুট্যাগের মাধ্যমে পয়ঃবর্জ্য নিষ্কাশন করতে প্রথম গাড়ির জন্যে দুই হাজার তিনশ’ টাকা নেয়া হয়। এই টাকার মধ্যে থেকে সুইপার পায় আটশ’ টাকা এবং বাকি এক হাজার পাঁচশ’ পায় পৌরসভা। দ্বিতীয় গাড়ির জন্যে নেয়া হয় এক হাজার পাঁচশ’ টাকা। এরমধ্যে পাঁচশ’ টাকা পায় সুইপার এবং বাকি এক হাজার পায় পৌরসভা।
যশোর পৌরসভায় আধুনিক পদ্ধতিতে পয়ঃবর্জ্য নিষ্কাশনের জন্যে পাঁচটি ভেকুট্যাগ রয়েছে। এর মাধ্যমে বর্জ্য নিষ্কাশন করে হামিদপুরের পরিশোধনাগারে নেওয়া হয়। ফলে, বায়ু এবং পরিবেশ দূষণ থেকে রক্ষা পাচ্ছে যশোর শহর। থাকছে না নাগরিকের স্বাস্থ্যঝুঁকি।
সম্প্রতি যশোর পৌরসভা ও এসএনভি নেদারল্যান্ডসের জরিপে দেখা গেছে শহরের মাত্র ২১ শতাংশ পরিবার তাদের সেপটিক ট্যাংক নিরাপদ উপায়ে পরিষ্কার করাচ্ছেন। ৭২ শতাংশ পরিবার তাদের সেপটিক ট্যাংক ও পিট নিয়মিত পরিষ্কার করে না। এ কারণে মল ছড়িয়ে পড়ে শহরের পানি এবং পরিবেশ দূষিত করে। রোগ জীবাণু সংক্রমণের ঝুঁকি বহুলাংশে বেড়ে যায়। এই অবস্থার উত্তরণ ঘটাতে যশোর পৌরসভা নিরাপদ স্যানিটেশন ও পয়ঃবর্জ্য ব্যবস্থাপনা সেবা নিশ্চিতে নিয়ে এসেছে ‘সবুজ সেবা’।
যশোর পৌরসভায় আধুনিক পদ্ধতিতে পয়ঃবর্জ্য নিষ্কাশনের জন্যে পাঁচটি ভেকুট্যাগ রয়েছে। এর মাধ্যমে বর্জ্য নিষ্কাশন করে হামিদপুরের পরিশোধনাগারে নেওয়া হয়। ফলে, বায়ু এবং পরিবেশ দূষণ থেকে রক্ষা পাচ্ছে যশোর শহর। থাকছে না নাগরিকের স্বাস্থ্যঝুঁকি।
সম্প্রতি যশোর পৌরসভা ও এসএনভি নেদারল্যান্ডসের জরিপে দেখা গেছে শহরের মাত্র ২১ শতাংশ পরিবার তাদের সেপটিক ট্যাংক নিরাপদ উপায়ে পরিষ্কার করাচ্ছেন। ৭২ শতাংশ পরিবার তাদের সেপটিক ট্যাংক ও পিট নিয়মিত পরিষ্কার করে না। এ কারণে মল ছড়িয়ে পড়ে শহরের পানি এবং পরিবেশ দূষিত করে। রোগ জীবাণু সংক্রমণের ঝুঁকি বহুলাংশে বেড়ে যায়। এই অবস্থার উত্তরণ ঘটাতে যশোর পৌরসভা নিরাপদ স্যানিটেশন ও পয়ঃবর্জ্য ব্যবস্থাপনা সেবা নিশ্চিতে নিয়ে এসেছে ‘সবুজ সেবা’।
প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, আধুনিক উপায়ে যান্ত্রিক পদ্ধতিতে অর্থ্যাৎ ভেকুট্যাগের মাধ্যমে মল অপসারণ এবং পরিবহনের কারণে দুর্গন্ধ ছড়ায় না। মল পরিবেশের সাথে মিশে দূষণ ঘটায় না। এই পদ্ধতির মাধ্যমে মল অপসারণ এবং পরিবহন পরিবেশের জন্যে নিরাপদ। একইসাথে রোগ সংক্রমণের ঝুঁকি কমায়। ভেকুট্যাগ পদ্ধতি জনপ্রিয় করার উদ্যোগ নিয়েছে পৌরসভা। তারই অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশন মিলনায়তনে প্রচারাভিযানের উদ্বোধন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগ যশোরের উপপরিচালক হুসাইন শওকত। বিশেষ অতিথি ছিলেন ডেপুটি সিভিল সার্জন সাইনূর সামাদ ও পৌরসভার সচিব আজমল হোসেন। এসময় পৌরসভার সকল কাউন্সিলর ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
আধুনিক এ সেবা পেতে ০১৭২০-৬১২২১৪ নম্বরে যোগাযোগের জন্যে অনুরোধ জানিয়েছে পৌর কর্তৃপক্ষ। কর্মকর্তারা বলছেন, ভেকুট্যাগ জনপ্রিয় করতে বিভিন্ন এনজিওকে কাজে লাগানো হবে। তাদের মাধ্যমে চলবে প্রচারাভিযান।
আধুনিক এ সেবা পেতে ০১৭২০-৬১২২১৪ নম্বরে যোগাযোগের জন্যে অনুরোধ জানিয়েছে পৌর কর্তৃপক্ষ। কর্মকর্তারা বলছেন, ভেকুট্যাগ জনপ্রিয় করতে বিভিন্ন এনজিওকে কাজে লাগানো হবে। তাদের মাধ্যমে চলবে প্রচারাভিযান।


No comments:
Post a Comment